• বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:৫৪ অপরাহ্ন |
শিরোনাম :
ভোটের দিনে লিফলেট বিতরণের দায়ে জামায়াত নেতার অর্থদন্ড নীলসাগর ট্রেনের বগি লাইনচ্যুত, ঢাকার সঙ্গে উত্তরবঙ্গের রেল যোগাযোগ বন্ধ বিশ্ব স্ট্রোক দিবস: স্ট্রোকের ঝুঁকি, রিহ্যাবের সংকট ও পুনর্বাসনে সচেতনতার আহ্বান তুরাগ নদ থেকে বিমানবাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা তাহসিফের মরদেহ উদ্ধার হত্যা মামলায় মাগুরার সাবেক ওসি ও এসআই জেলহাজতে ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচন: পক্ষপাতিত্বের অভিযোগে ৯ কর্মকর্তা প্রত্যাহার সন্ত্রাসবিরোধী মামলায় জলঢাকা পৌরসভার সাবেক মেয়র গ্রেপ্তার রানীরবন্দরে বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী ব্যবসায়ী নিহত “ভালো থেকো আমার না হওয়া মহারানী” চলন্ত ট্রাকে আড়াই ঘন্টা ঝুলে ৩২ লাখ টাকার ইয়াবা জব্দ করলেন সিপাহি

গুলশানের ‘ফিরোজা’য় ফিরেছেন খালেদা জিয়া

সিসি নিউজ ডেস্ক।। প্রায় তিন মাস হাসপাতালে থাকার পরে বাসায় ফিরেছেন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। আজ মঙ্গলবার সন্ধ্যায় রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতাল থেকে গুলশানের বাসা ‘ফিরোজা’য় আনা হয় তাঁকে।

দেশজুড়ে করোনার সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় মেডিকেল বোর্ডের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তাঁকে বাসায় নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন তাঁর চিকিৎসকেরা। খালেদা জিয়ার জিয়ার বিদেশে চিকিৎসার বিষয়েও পরামর্শ দিয়েছেন তাঁরা।

লিভার সিরোসিসে আক্রান্ত খালেদা জিয়া গত ১৩ নভেম্বর এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি হন। সেখানে ক্রিটিক্যাল কেয়ার ইউনিটে (সিসিইউ) দীর্ঘ দিন চিকিৎসাধীন ছিলেন। শারীরিক অবস্থার উন্নতি হওয়ায় গত ৯ জানুয়ারি তাঁকে কেবিনে আনা হয়। সেখান থেকেই বাড়ি ফিরলেন তিনি। সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে হাসপাতাল থেকে বাড়ির উদ্দেশে রওনা করেন খালেদা জিয়া। রাত সাড়ে ৮টায় গুলশানের ভাড়া বাসা ‘ফিরোজা’য় পৌঁছান তিনি।

হাসপাতাল ছাড়ার আগে সংবাদ সম্মেলন করে খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার কথা জানান তাঁর চিকিৎসায় গঠিত মেডিকেল বোর্ড। তাঁরা জানান, খালেদা জিয়ার অবস্থা আপাতত স্থিতিশীল হলেও তিনি ঝুঁকিমুক্ত নন। পুনরায় তাঁর রক্তক্ষরণ হবে না এমন নিশ্চয়তা নেই।

সংবাদ সম্মেলনে খালেদা জিয়ার চিকিৎসক বোর্ডের সদস্য অধ্যাপক ফখরুদ্দিন মোহাম্মদ (এফএম) সিদ্দিকী বলেন, এভারকেয়ার হাসপাতালে প্রায় ৩৮০ এর বেশি কর্মকর্তা-কর্মচারী করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। এই অবস্থার প্রেক্ষিতে তাঁর স্বাস্থ্য ঝুঁকির কথা চিন্তা করে মেডিকেল বোর্ড সিদ্ধান্ত নিয়েছে, এই মুহূর্তে খালেদা জিয়ার অবস্থা একটু স্থিতিশীল তাই তাকে বাসায় রেখে আমাদের তত্ত্বাবধানে চিকিৎসা করা প্রয়োজন।

অধ্যাপক ফখরুদ্দিন মোহাম্মদ বলেন, করোনা সংক্রমণের কারণে যদি তাঁর আবার স্বাস্থ্য জটিলতা তৈরি হয় তাহলে চিকিৎসা ব্যবস্থাপনা আরও কঠিন হবে। সে জন্য তাঁকে হাসপাতাল থেকে বাসায় নিয়ে চিকিৎসা করানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

অধ্যাপক ফখরুদ্দিন মোহাম্মদ সিদ্দিকী বলেন, ভবিষ্যতে তার লিভার আবার আক্রান্ত হতে পারে। তবে আমরা মনে করি না এখনো সে পর্যায় আছে। তাঁর রক্তক্ষরণের সম্ভাবনাটা সব সময়ই থাকবে। এখনো একটু একটু রক্তক্ষরণ হয়। খুব ছোট আকারে এখনো রক্তক্ষরণ হচ্ছে। তিনি আপাতদৃষ্টিতে স্থিতিশীল আছেন। তবে এর কোনো নিশ্চয়তা নেই যে তিনি অদূর ভবিষ্যতে রক্তক্ষরণে ভুগবেন না।

অধ্যাপক ফখরুদ্দিন মোহাম্মদ সিদ্দিকী জানান, খালেদা জিয়ার মূল যে অসুখ, সেই অসুখের যে কনসিকোয়েন্স তা হলো হাই প্রেশার পোর্টাল সার্কুলেশন। সেটার জন্য যে বাইপাস ড্রেন তৈরি করে দেওয়া, সেটা করা যায়নি। দৃশ্যমান বড় যে ভেসেলগুলো (শিরা) ফেটে যাচ্ছিল সেগুলোর কিছু ব্লক করা হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে খালেদা জিয়ার চিকিৎসক বোর্ডের সদস্য অধ্যাপক ফখরুদ্দিন মোহাম্মদ (এফএম) সিদ্দিকী বলেন, এভারকেয়ার হাসপাতালে প্রায় ৩৮০ এর বেশি কর্মকর্তা-কর্মচারী করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। এই অবস্থার প্রেক্ষিতে তাঁর স্বাস্থ্য ঝুঁকির কথা চিন্তা করে মেডিকেল বোর্ড সিদ্ধান্ত নিয়েছে, এই মুহূর্তে খালেদা জিয়ার অবস্থা একটু স্থিতিশীল তাই তাকে বাসায় রেখে আমাদের তত্ত্বাবধানে চিকিৎসা করা প্রয়োজন।

অধ্যাপক ফখরুদ্দিন মোহাম্মদ বলেন, করোনা সংক্রমণের কারণে যদি তাঁর আবার স্বাস্থ্য জটিলতা তৈরি হয় তাহলে চিকিৎসা ব্যবস্থাপনা আরও কঠিন হবে। সে জন্য তাঁকে হাসপাতাল থেকে বাসায় নিয়ে চিকিৎসা করানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

অধ্যাপক ফখরুদ্দিন মোহাম্মদ সিদ্দিকী বলেন, ভবিষ্যতে তার লিভার আবার আক্রান্ত হতে পারে। তবে আমরা মনে করি না এখনো সে পর্যায় আছে। তাঁর রক্তক্ষরণের সম্ভাবনাটা সব সময়ই থাকবে। এখনো একটু একটু রক্তক্ষরণ হয়। খুব ছোট আকারে এখনো রক্তক্ষরণ হচ্ছে। তিনি আপাতদৃষ্টিতে স্থিতিশীল আছেন। তবে এর কোনো নিশ্চয়তা নেই যে তিনি অদূর ভবিষ্যতে রক্তক্ষরণে ভুগবেন না।

অধ্যাপক ফখরুদ্দিন মোহাম্মদ সিদ্দিকী জানান, খালেদা জিয়ার মূল যে অসুখ, সেই অসুখের যে কনসিকোয়েন্স তা হলো হাই প্রেশার পোর্টাল সার্কুলেশন। সেটার জন্য যে বাইপাস ড্রেন তৈরি করে দেওয়া, সেটা করা যায়নি। দৃশ্যমান বড় যে ভেসেলগুলো (শিরা) ফেটে যাচ্ছিল সেগুলোর কিছু ব্লক করা হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ